Shapla: 10 Year Anniversary
ঈসায়ী ২০১৩ সালের মে মাসের ৫ তারিখ বাংলাদেশের ইতিহাসে্ এক মাইল ফলক। এর আগে থেকেই স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি বলে কথিত বাঙ্গালী জাতিবাদী লিঞ্ছিং মবরা লাগাতার চলতে থাকা শাহাবাগ আন্দোলনে মব জাস্টিস কায়েম করে ফেলে। শহীদ আবদুল কাদের মোল্লাকে প্রহসনের বিচারে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়ার পরেও মন ভরে নাই রক্তপিপাসু এই শাহাবাগী হায়েনার দলের। তারা দল বেঁধে রাস্তায় নেমে জনজীবন পর্যুদস্ত করে ফেলে। সাধারন মানুষকে জিম্মি বানিয়ে তথাকথিত যুদ্ধপরাধীর ফাঁসী চাইতে থাকে। মার্কিন দেশেও রক্তপিপাসু বর্নবাদী সাদা লিঞ্ছিং মবরাও দল বেঁধে অরাজক পরিস্থিতি তৈরির ভিতর দিয়ে অভিযুক্ত কালোকে ন্যায্য সুবিচারের সকল সুযোগ বঞ্চিত করে, ঘৃনা ছড়ানোর ভিতর দিয়ে জনসমক্ষে হত্যা করতো।
শাহাবাগের জনমত কাজে লাগিয়ে সরকার নিজেদের ক্ষমতা কুক্ষিগত করে ফেলে ভারতীয় স্বার্থের অনুকুলে আধিপত্য এবং সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী ইসলামী রাজনৈতিক নেতৃত্বকে নির্মূল করে। একে একে ফাঁসীর আদেশ হয় আরো জাতীয় ইসলামী নেতৃত্ববৃন্দের। এই বৈচারিক হতাকান্ডের সম্মতি প্রক্রিয়ায় শরিক হয়ে নাম করা সেক্যুলার প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবি, লেখক, সাংবাদিক, শিল্পী-সাহিত্যিকরা জনগনের এক বিশেষ অংশকে লেলিয়ে দেয় ইসলাম পছন্দ জনগনের অপর অংশের বিরুদ্ধে। রক্ত পিপাসু উন্মত্ত শাহাবাগীরা এর পরে ইসলামী সর্বোচ্চ ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব মহানবী মুহম্মদ (সঃ) এর সুউচ্চ শান ও মর্যাদা নিয়ে মিথ্যাচার, কটুক্তি শুরু করে। যেই শাহাবাগীরা ইসলামী রাজনীতি নির্মূলের মিশন নিয়ে দেশের বিচার ব্যবস্থা ধ্বংস করে ফেলেছিল, তাদের কূকর্ম একের পর এক জনসমক্ষে আসতে থাকে।
আলেম ওলামা, তালিবুল ইল্ম, সাধারন মুসলিমেরা এমতাবস্থায় নিজেদের কর্তব্য কর্ম পরিকল্পনা স্থির করে, হেফাজতে ইসলামের নেতৃত্বে সারাদেশ অচল করে দেন। ৫ মে তে, জনগনের প্রানের দাবী ১৩ দফা নিয়ে ঢাকায় অবস্থান করেন লক্ষ লক্ষ আলেম, তালিবুল ইলম, সাধারন মুসলিম জনগন। এইবার সকল পর্দা ছিড়ে সরাসরি সামনে আসে সরকারী সশস্ত্র পেটোয়া বাহিনী পুলিশ, র্যাব, বিজেবি। রাতে লাইট নিভায়ে, চলমান লাইভ মিডিয়া বন্ধ করে দিয়ে শুরু হয় নারকীয় হত্যাযজ্ঞ। শহীদ হন অসংখ্য নিরপরাধ আলেম, সাধারন মুসলিম। এই হত্যাযজ্ঞ গনহত্যা না, এরা রঙ মেখে রাস্তায় শুয়ে ছিল, উদ্দেশ্যমূলক ভাবে হতাহতের সংখ্যা ম্যানিপুলেট করা হচ্ছে, ইত্যাদি নানা কিছু বলে সেই সময়ে বাস্তব অবস্থা গোপন করার চেস্টা চালায় সেক্যুলার বুদ্ধিজীবিরা।
দশ বছর পার হলেও শাপলা হত্যাযজ্ঞের কোন বিচার হয় নাই। হয় নাই ১৩ দফার কোন মূল্যায়ন, বিচারের নামে প্রহসনের কোন তদন্ত। রক্তের সওদাগর সেই সেক্যুলারেরা এখনো ভদ্রলোকের মুখোষ নিয়ে জাতির বিবেকের ভূমিকায় দোর্দন্ত প্রতাপে অভিনয় করছেন। বেওয়ারিশ লাশের মতোন শাপলা পরবর্তী বাংলাদেশের ইতিহাসও গন্তব্যবিহীন পথে লাপাত্তা হলো। কোন মীমাংসা হলো না এই দ্বন্দ্বের, যা শুরু হয়েছিলো সেই ১৯৭১ এ?
মূলতঃ এই দূরাবস্থার দায় বাংলাদেশের সেক্যুলার রাজনৈতিক এবং বুদ্ধিজীবিদের। তাদের সমস্যা প্রকট হয়ে ধরা পরে শাহাবাগ-শাপলা দ্বৈরথে। যেই ভালগার পজিটিভিস্ট সেক্যুলার চিন্তা ইউরোপে এনলাইটেন্মেন্টের সময় প্রাসঙ্গিক ছিল, তা এখনো উন্মত্ত ক্ষমতাসীনদের ধামাধরা বুদ্ধিজীবিরা চর্চা করছে। সেক্যুলার মহলে হয় ফরাসী-ইংরেজ উপনিবেশী জাতিরাস্ট্রভিত্তিক অথবা মার্কিন ভিত্তিক রিপাব্লিকান চিন্তার প্রাবল্য লক্ষ্য করা যায়। আরেকদল প্রগতিশীল বাম সেক্যুলারেরা বৈশ্বিক ঠান্ডা যুদ্ধের সমাপ্তির পরে দেশে এবং বিদেশে পরাজয় বরন করলেও ক্ষমতাসীন রাজনীতি নিয়ন্ত্রন করার চেস্টায় রত। মূলত এই শ্রেনীগুলির চূড়ান্ত বুদ্ধিবৃত্তিক ব্যর্থতা, ইতিহাস অসচেতনতা, গন বিচ্ছিন্নতা, দায়হীনতা, উধ্যত আচরন, নিয়ন্ত্রন, ম্যানিপুলেশন, নির্বিচারী ধর্ম-বিদ্বেষী মনোভাবই বাংলাদেশের রাজনৈতিক অচলাবস্থার জন্যে দায়ী। মার্ক্সীয় ধর্ম বিশ্লেষন বা পর্যালোচনার ঐতিহাসিক বস্তুবাদী পদ্ধতি ইনাদের কাছে ইমান-আকিদার মতোই অনুসরনীয়। তারা স্থবির-নিশ্চল-নিথর হয়ে বসে জাতীয় সমাজতন্ত্র, সেক্যুলার রিপাব্লিকের খোয়াব দেখছেন, মুসলিমদের লাশের স্তূপের উপর। তাদের পূর্বানুমান হলো, বাংলাদেশে ধর্মের পর্যালোচনা শেষ। ইসলামী রাজনীতি মাত্রই সাম্প্রদায়িক বা কম্যুনাল। ধর্মীয় রাজনীতি মাত্রই অসম্পূর্ন, খন্ডিত। আইডেন্টিটি পলিটিক্স বা নির্দিস্ট ধর্মভিত্তিক রাজনীতি মাত্রই মধ্যযূগীয়, প্রগতির অন্তরায়।
আমরা পর্যায়ক্রমে শাপলা নব জাগরনের দশ বছর সামনে রেখে বাংলাদেশের জাতীয় সত্তার নানা দিক উন্মোচন করবো ইনশাআল্লাহ্। শাপলায় সক্রিয় তৌহিদী জনতার কর্তা সত্ত্বা, হেফাজতে ইসলামের ইতিহাস, শাহাবাগী বুদ্ধিজীবিদের পর্যালোচনা থেকে শুরু করে নানা দিক থেকে বিশ্লেষন, আলোচনা থাকবে। আপনাদের সক্রিয়তা কাম্য। আল্লাহ তৌফিক দিন।
Shihan Bin Umar
May 26, 2023
২০১৩ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারী শুরু হওয়া শাহবাগ আন্দোলন যদিও প্রথমে ১৯৭১ সালের তথাকথিত যুদ্ধাপরাধীদের মৃত্যুদন্ডের দাবীতে ছিল, কিন্তু খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশে ধর্মের নামে রাজনীতি তথা ইসলামপন্থী রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবী উঠে শাহবাগে। সেই সাথে শাহবাগ আন্দোলনের সামনের সারিতে থাকা কিছু চিহ্নিত উগ্র নাস্তিকদের (militant atheists) অবস্থানের কারণে শাহবাগ আন্দোলন দেশের ইসলামপ্রিয় জনগণের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে ওঠে। শুরু হয় শাহবাগ আন্দোলনের প্রতিক্রিয়া স্বরূপ শাপলা আন্দোলন।
Abdur Rahman Bari
July 14, 2023
এই নিবন্ধে শাহবাগের তাত্ত্বিক, বয়াতিদের চোখে শাপলার আন্দোলনের মানে বুঝবার কোশেশ করব৷ শাপলার আন্দোলনের কুলুজির সুলুকসন্ধান ও তার সাপেক্ষে উক্ত বয়াতিদের চিন্তা ও তৎপরতা বিচার নিবন্ধের অন্যতম বাসনা৷ নিবন্ধে ৭২ এর কামালবাদী সংবিধান, ইসলাম, ইসলামপন্থা, ৭৫ এর পট - পরিবর্তন ও জিয়ার রাজনীতি ও কথিত সংবিধানে ইসলামিকরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক প্রশ্নের উত্তর হদিস করব৷ বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে যে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং করবার প্রস্তাব শাহবাগের ছিল তা তলব করব৷ এই নিবন্ধ আধিপত্যবাদী বয়ানের সমান্তারালে চলা অবদমিত বয়ান হাজির করতে যাচ্ছে যা রাজনৈতিক বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রস্তাব করে৷
Asif Mahmud
September 2nd, 2023
শাহবাগ আন্দোলন আসলে কী, এর লক্ষ্য-উদ্দেশ্য কী ছিলো, এর ফলাফল কী — এসব প্রশ্ন নিয়ে আজও মানুষকে সরব থাকতে দেখা যায়। বহুকাল পরেও শাহবাগের এই প্রাসঙ্গিকতার কারণ কী? সেই কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে পড়লাম শাহবাগ আন্দোলন নিয়ে গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, গান ও শাহবাগের বিভিন্ন ডকুমেন্টের সংকলন — ‘জীবনের শাহবাগ জীবনযুদ্ধের শাহবাগ’ বইটি। বইটিতে আছে সৈয়দ শামসুল হক, মহাদেব সাহা, নির্মলেন্দু গুণসহ নানান শাহবাগী কবিদের কবিতা। আছে কবির সুমনের শাহবাগ নিয়ে গান, সেলিনা হোসেন, মোস্তফা মামুনের গল্প, আছে আবদুল গাফফার চৌধুরী, হাসান আজিজুল হক, মুহম্মদ জাফর ইকবাল, আনিসুল হক প্রমুখের প্রবন্ধ। বইটিতে আরো আছে গণজাগরণ মঞ্চের সাংগঠনিক ঘোষণা, প্রচারপত্র, ঘটনাপঞ্জী ইত্যাদি।
Abdur Rahman Bari
May 5, 2023
লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্সের ইতিহাসের মশহুর ওস্তাদ আন্টনি স্মিথের মারফতে প্রস্তাব করতে পারি যে ইতিহাস ও ইতিহাসতত্ত্বের রাজনীতিতে কর্তা হিসাবে হাজির না থাকলে অন্যের ইতিহাসের উপাদান হয়েই থাকতে হয়।ঔপনিবেশিক সময় হতে শাহবাগ উত্তর বাংলাদেশে বিদ্যায়তন ও বিদ্যায়তনের বাইরে যে আধিপত্যবাদি ইতিহাস ও ইতিহাসতত্ত্বের রাজনীতি আমরা দেখি তাতে শাপলার আন্দোলন কিছু ছক বাধা শব্দ বন্ধনে হাজির হয়।বাংলাদেশের সেক্যুলার ডিস্কোর্সে শাপলাকে সুযোগ সন্ধানী, সাম্প্রদায়িক, মৌলবাদ ইত্যাদি গদবাধা শব্দের বন্ধনে আবদ্ধ করা হয়।ভাবখানা এমন যেন শাপলা হঠাৎ করে হাজির হওয়া পঙ্গপালের দল।আসলেই কি তাই?
Tareq-ul Huda
January 15, 2024
শাপলায় ফুটে থাকা সেই লাশেরও আত্মপরিচয় আছে। আর তা হলো “মুসলিম”। যার কর্তাসত্ত্বার (Subjectivity) উৎসে থাকে অস্তিত্ত্বের মর্মজিজ্ঞাষা (Ontology)। এই মর্মের বিনিসূতাতেই বাঁধা থাকে মুসলিমদের জীবন থেকে মরন। সাচ্চা মুসলিম তার যাপিত জীবনকে অন্য সব কিছু থেকে আলাদা করে স্বত্তা বিচ্ছিন্ন জীবন (Inauthentic Dasein) বেছে নিতে চায় না। ঠিক এই কারনেই একজন মুসলিমের অস্তিত্ত্বময়তার রোশনী যদি তার কর্তা সত্তায় সঠিক ভাবে প্রতিফলিত হয়, তবে ঐতিহাসিক কর্তাসত্ত্বা (Subjective self) হিসাবে তার যাপনে ও রাজনৈতিকতায় সেক্যুলারাইজেশন ( ধর্মীয়তাকে বিচ্ছিন্নকরন) এবং ডিথিওলাইজেশন (নিধর্মীকরন) অসম্ভব হয়ে উঠে। সাচ্চা মুসলমানের এই নিয়্যত সমাজে তার অপর একাংশের কাছে অসহনীয় মনে হয়। সাচ্চা মুসলমানের জীবন আর প্রানকে তখন তারা নিজের জীবন আর প্রানের অস্তিত্ত্বের জন্যে হুমকি মনে করতে থাকে। দ্বন্দ্ব সংঘাত তখন অনিবার্য হয়ে উঠে।
Mufti Harun Izhar
January 15, 2024
“৭১ কে জালেমের বিরুদ্ধে মাজলুমের লড়াই বলার একটা ট্রেন্ড ইতোমধ্যে কওমি অঙ্গনেও চালু হয়েছে।এইটা ৭১ এর একটা খণ্ডিত মূল্যায়ন। সামগ্রিক মূল্যায়ন নয়৷ এটাকে কেউ সামগ্রিক বক্তব্য হিসেবে ধারণ করলে নানান ঐতিহাসিক কারণে তা নাকচ হতে বাধ্য। যেমন বিহারীদের প্রসঙ্গটা আপনি নিজেই তুলেছেন। "
By Athar Ali
May 19, 2024
আমি আজীবন মওদুদিবাদের বিরোধিতা করে আসছি। এই মিশন নিয়ে আমি কাজ করছি সারাজীবন। এই কাজটি আমি পেয়েছি আমার আকাবির-আসলাফ তথা ওলামায়ে দেওবন্দের কাছ থেকে। আপনি জানেন, মওদুদিয়্যতের সাথে আমাদের মূল বিরোধটা হলো আকাইদ সংক্রান্ত। ইসমতে আম্বিয়া এবং আদালতে সাহাবা সংক্রান্ত। মওদুদিরা আম্বিয়া আলাইহিমুস সালামকে ‘মাসুম আনিল খাতা’ মানে না। সাহাবায়ে কেরামকে সমালোচনার ঊর্ধ্বে স্বীকার করে না। আর ইসমতে আম্বিয়া এবং আদালতে সাহাবা অস্বীকারকারীদের বিরোধিতা করাকে আমি একটি নেক কাজ এবং শ্রেষ্ঠ ইবাদত মনে করি। শাহবাগের জমায়েতকে আমার কাছে একটি সুবর্ণ সুযোগ মনে হয়েছিল। আমার কাছে মনে হয়েছিল সাহাবার দুশমনদের বিরুদ্ধে এটি একটি শক্ত অবস্থান। এই সুযোগকে কাজে লাগানো যেতে পারে। এই নেক নিয়তেই আমি সেখানে গিয়েছিলাম।
By Zia-ul Haque
May 19, 2024
বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ফ্যাসিবাদী সার্বজনীনবাদের প্রকাশ ঘটে দুই ভাবে৷ পয়লা ঘটে, বাঙালি জাতীয়তাবাদের লাশ রাজনীতির বাতাবরণে৷ দুসরা ঘটে, ইসলাম ও মুসলিমের সাংস্কৃতিক দিক অন্তর্ভুক্তির ছদ্মবেশে ; যা দোহা গ্রামশিয়ান টার্ম "ওয়ার অফ পজিশনে" ,বারি "খোজাকরণের রাজনীতি " তে বাক্স বন্দী করেছে। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ফ্যাসিবাদী সার্বজনীনবাদ এর পয়লা প্রকাশ ঘটে, শাহবাগে৷ পয়লা প্রকাশের লক্ষণ : "বাঙালি জাতীয়তাবাদ", "৭২ এর সংবিধানে ফেরত", "আইনি বলে ও রাষ্ট্রের ক্ষমতা ব্যবহার করে ইসলামের রাজনৈতিকতা নির্মূল", "লাশতান্ত্রিক ক্ষমতার চর্চা "ইত্যাদি ইত্যাদি। দুসরা, প্রকাশ ঘটে শাহবাগের সংশোধনবাদী ধারা হতে। এই ধারার সেক্যুলাররা লাশতান্ত্রিক ক্ষমতার স্থলে ডিসিপ্লিনারি বা নিয়ন্ত্রণমূলক ক্ষমতা চর্চাতে আগ্রহী। দুসরা ধারার প্রকাশের লক্ষণ হলো : "সাম্য ", " মানবিক মর্যাদা ", "নাগরিক অধিকার " "ইসলামের সাংস্কৃতিক দিক " ইত্যাদি ইত্যাদি। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ফ্যাসিবাদী সার্বজনীনবাদের উভয় প্রকাশের এক বিশেষ মিল৷ তা হলো ইসলামের রাজনৈতিকতা, তার ক্ষমতায়ন, তার রাজনৈতিক কর্তাসত্তা ঠেকানো। অর্থাৎ, বুনিয়াদি বাসনা অভিন্ন, তবে তরিকা ভিন্ন৷ এক পক্ষ নির্মূলের রাজনীতি করে, অপর পক্ষ নাগরিক বর্গের সাপেক্ষে নির্মূলের রাজনীতির পর্যালোচনা করে নিয়ন্ত্রণের রাজনীতি প্রস্তাব করে।
By Mohammad Toha
May 19, 2024
উত্তর - ঔপনিবেশিক ক্যামেরুনীয় তাত্ত্বিক আশিলি এম্বেম্বে "The Society of Enmity " লেখায় দেখান, আইনি কাঠামোয় নাগরিক অধিকার ভোগ করার সমান্তারালে আরেক সমাজ আছে যেখানে নাগরিক হয়েও, জিন্দা লাশ হিসাবে থাকে। এম্বেম্বে দেখান, আগে এই জিন্দালাশের অন্তর্ভুক্ত ছিল নিগ্রো ও ইহুদি৷ বর্তমানে নিগ্রো ও ইহুদির স্থলে অন্য নামে যেমন : মুসলিম, ইসলামপন্থী, আরব, আদিবাসী, অভিবাসী, নিম্নবর্গ ইত্যাদি জিন্দালাশ হিসাবে বেঁচে থাকে। নাগরিক - সাম্যের বুলি এইখানে বিহিত করতে নাকামিয়াব৷ এম্বেম্বে একে 'The Terrifying Object " হিসাবে চিহ্নিত করেন। এম্বেম্বে Desire of Master এর সাথে কল্পিত শত্রুর সাথে যে বাস্তবতার মিল নেই, তা নিশ্চিত করেন৷ এম্বেম্বে দেখান বাসনার পূর্ণতার জন্য কিভাবে কল্পিত শত্রুর ছবি আবিস্কারের নেশায় (Desire must continually invent it) মত্ত। এম্বেম্বে দেখান কিভাবে শত্রুর আকাঙ্ক্ষা, বিচ্ছিন্নতা, নির্মূল ও ধ্বংসের কল্পনা- বৃহৎ বৃত্তের স্থান দখল করে নেয়।
By Tahmid Bhuiyan
May 19, 2024
সুমনের বর্ণনায় গণতন্ত্র পীরিতি দেখে মিশরীয় মার্ক্সবাদী সামির আমিনের কথা স্মরণ হল। ইসলামপন্থী রাজনৈতিক সংগঠন ইখওয়ানুল মুসলিমীনকে যখন সেনা ক্যু করে ক্ষমতা হতে সড়িয়ে, লাশতান্ত্রিক রাজনীতির ফলে রাবা স্কয়ার লাশের পাহাড় হয়ে গেল ; তখন সামির আমিন কবির সুমনের মতোই বলেছিল, মিশরীয় সিপাহি - জনতার বিপ্লব বা এর মাধ্যমে নয়া গণতান্ত্রিক সংযোজন দেখবে আগামীর মিশর। সামির আমিন ইসায়ী ২০১৯ সাল অবধি জীবিত ছিলেন৷ আব্দুল ফাত্তাহ আল সিসির গণতান্ত্রিক মিশর আর দেখে যেতে পারে নাই। সুমন এই দিক বিবেচনায় সামির আমিনের চেয়ে খুশ-নসিব বলা যায়। জীবনের ৭৫ তম বসন্তে পা দিলেন ; সাথে বাংলাদেশের গণ মানুষকে উপহার দিলেন ফ্যাসিবাদী লুটেরা - মাফিয়া রেজিম৷ সুমনের বাঁশির সুরে উজ্জীবিত হয়ে শাহবাগ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পথচলাকে উল্টে দিল, সুমন কি তা বুঝেন?
Table of Contents
Shihan Bin Umar
May 26, 2023
২০১৩ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারী শুরু হওয়া শাহবাগ আন্দোলন যদিও প্রথমে ১৯৭১ সালের তথাকথিত যুদ্ধাপরাধীদের মৃত্যুদন্ডের দাবীতে ছিল, কিন্তু খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশে ধর্মের নামে রাজনীতি তথা ইসলামপন্থী রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবী উঠে শাহবাগে। সেই সাথে শাহবাগ আন্দোলনের সামনের সারিতে থাকা কিছু চিহ্নিত উগ্র নাস্তিকদের (militant atheists) অবস্থানের কারণে শাহবাগ আন্দোলন দেশের ইসলামপ্রিয় জনগণের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে ওঠে। শুরু হয় শাহবাগ আন্দোলনের প্রতিক্রিয়া স্বরূপ শাপলা আন্দোলন।
Abdur Rahman Bari
July 14, 2023
এই নিবন্ধে শাহবাগের তাত্ত্বিক, বয়াতিদের চোখে শাপলার আন্দোলনের মানে বুঝবার কোশেশ করব৷ শাপলার আন্দোলনের কুলুজির সুলুকসন্ধান ও তার সাপেক্ষে উক্ত বয়াতিদের চিন্তা ও তৎপরতা বিচার নিবন্ধের অন্যতম বাসনা৷ নিবন্ধে ৭২ এর কামালবাদী সংবিধান, ইসলাম, ইসলামপন্থা, ৭৫ এর পট - পরিবর্তন ও জিয়ার রাজনীতি ও কথিত সংবিধানে ইসলামিকরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক প্রশ্নের উত্তর হদিস করব৷ বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে যে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং করবার প্রস্তাব শাহবাগের ছিল তা তলব করব৷ এই নিবন্ধ আধিপত্যবাদী বয়ানের সমান্তারালে চলা অবদমিত বয়ান হাজির করতে যাচ্ছে যা রাজনৈতিক বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রস্তাব করে৷
Asif Mahmud
September 2nd, 2023
শাহবাগ আন্দোলন আসলে কী, এর লক্ষ্য-উদ্দেশ্য কী ছিলো, এর ফলাফল কী — এসব প্রশ্ন নিয়ে আজও মানুষকে সরব থাকতে দেখা যায়। বহুকাল পরেও শাহবাগের এই প্রাসঙ্গিকতার কারণ কী? সেই কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে পড়লাম শাহবাগ আন্দোলন নিয়ে গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, গান ও শাহবাগের বিভিন্ন ডকুমেন্টের সংকলন — ‘জীবনের শাহবাগ জীবনযুদ্ধের শাহবাগ’ বইটি। বইটিতে আছে সৈয়দ শামসুল হক, মহাদেব সাহা, নির্মলেন্দু গুণসহ নানান শাহবাগী কবিদের কবিতা। আছে কবির সুমনের শাহবাগ নিয়ে গান, সেলিনা হোসেন, মোস্তফা মামুনের গল্প, আছে আবদুল গাফফার চৌধুরী, হাসান আজিজুল হক, মুহম্মদ জাফর ইকবাল, আনিসুল হক প্রমুখের প্রবন্ধ। বইটিতে আরো আছে গণজাগরণ মঞ্চের সাংগঠনিক ঘোষণা, প্রচারপত্র, ঘটনাপঞ্জী ইত্যাদি।
Abdur Rahman Bari
May 5, 2023
লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্সের ইতিহাসের মশহুর ওস্তাদ আন্টনি স্মিথের মারফতে প্রস্তাব করতে পারি যে ইতিহাস ও ইতিহাসতত্ত্বের রাজনীতিতে কর্তা হিসাবে হাজির না থাকলে অন্যের ইতিহাসের উপাদান হয়েই থাকতে হয়।ঔপনিবেশিক সময় হতে শাহবাগ উত্তর বাংলাদেশে বিদ্যায়তন ও বিদ্যায়তনের বাইরে যে আধিপত্যবাদি ইতিহাস ও ইতিহাসতত্ত্বের রাজনীতি আমরা দেখি তাতে শাপলার আন্দোলন কিছু ছক বাধা শব্দ বন্ধনে হাজির হয়।বাংলাদেশের সেক্যুলার ডিস্কোর্সে শাপলাকে সুযোগ সন্ধানী, সাম্প্রদায়িক, মৌলবাদ ইত্যাদি গদবাধা শব্দের বন্ধনে আবদ্ধ করা হয়।ভাবখানা এমন যেন শাপলা হঠাৎ করে হাজির হওয়া পঙ্গপালের দল।আসলেই কি তাই?
Tareq-ul Huda
January 15, 2024
শাপলায় ফুটে থাকা সেই লাশেরও আত্মপরিচয় আছে। আর তা হলো “মুসলিম”। যার কর্তাসত্ত্বার (Subjectivity) উৎসে থাকে অস্তিত্ত্বের মর্মজিজ্ঞাষা (Ontology)। এই মর্মের বিনিসূতাতেই বাঁধা থাকে মুসলিমদের জীবন থেকে মরন। সাচ্চা মুসলিম তার যাপিত জীবনকে অন্য সব কিছু থেকে আলাদা করে স্বত্তা বিচ্ছিন্ন জীবন (Inauthentic Dasein) বেছে নিতে চায় না। ঠিক এই কারনেই একজন মুসলিমের অস্তিত্ত্বময়তার রোশনী যদি তার কর্তা সত্তায় সঠিক ভাবে প্রতিফলিত হয়, তবে ঐতিহাসিক কর্তাসত্ত্বা (Subjective self) হিসাবে তার যাপনে ও রাজনৈতিকতায় সেক্যুলারাইজেশন ( ধর্মীয়তাকে বিচ্ছিন্নকরন) এবং ডিথিওলাইজেশন (নিধর্মীকরন) অসম্ভব হয়ে উঠে। সাচ্চা মুসলমানের এই নিয়্যত সমাজে তার অপর একাংশের কাছে অসহনীয় মনে হয়। সাচ্চা মুসলমানের জীবন আর প্রানকে তখন তারা নিজের জীবন আর প্রানের অস্তিত্ত্বের জন্যে হুমকি মনে করতে থাকে। দ্বন্দ্ব সংঘাত তখন অনিবার্য হয়ে উঠে।
Mufti Harun Izhar
January 15, 2024
“৭১ কে জালেমের বিরুদ্ধে মাজলুমের লড়াই বলার একটা ট্রেন্ড ইতোমধ্যে কওমি অঙ্গনেও চালু হয়েছে।এইটা ৭১ এর একটা খণ্ডিত মূল্যায়ন। সামগ্রিক মূল্যায়ন নয়৷ এটাকে কেউ সামগ্রিক বক্তব্য হিসেবে ধারণ করলে নানান ঐতিহাসিক কারণে তা নাকচ হতে বাধ্য। যেমন বিহারীদের প্রসঙ্গটা আপনি নিজেই তুলেছেন। "
By Athar Ali
May 19, 2024
আমি আজীবন মওদুদিবাদের বিরোধিতা করে আসছি। এই মিশন নিয়ে আমি কাজ করছি সারাজীবন। এই কাজটি আমি পেয়েছি আমার আকাবির-আসলাফ তথা ওলামায়ে দেওবন্দের কাছ থেকে। আপনি জানেন, মওদুদিয়্যতের সাথে আমাদের মূল বিরোধটা হলো আকাইদ সংক্রান্ত। ইসমতে আম্বিয়া এবং আদালতে সাহাবা সংক্রান্ত। মওদুদিরা আম্বিয়া আলাইহিমুস সালামকে ‘মাসুম আনিল খাতা’ মানে না। সাহাবায়ে কেরামকে সমালোচনার ঊর্ধ্বে স্বীকার করে না। আর ইসমতে আম্বিয়া এবং আদালতে সাহাবা অস্বীকারকারীদের বিরোধিতা করাকে আমি একটি নেক কাজ এবং শ্রেষ্ঠ ইবাদত মনে করি। শাহবাগের জমায়েতকে আমার কাছে একটি সুবর্ণ সুযোগ মনে হয়েছিল। আমার কাছে মনে হয়েছিল সাহাবার দুশমনদের বিরুদ্ধে এটি একটি শক্ত অবস্থান। এই সুযোগকে কাজে লাগানো যেতে পারে। এই নেক নিয়তেই আমি সেখানে গিয়েছিলাম।
By Zia-ul Haque
May 19, 2024
বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ফ্যাসিবাদী সার্বজনীনবাদের প্রকাশ ঘটে দুই ভাবে৷ পয়লা ঘটে, বাঙালি জাতীয়তাবাদের লাশ রাজনীতির বাতাবরণে৷ দুসরা ঘটে, ইসলাম ও মুসলিমের সাংস্কৃতিক দিক অন্তর্ভুক্তির ছদ্মবেশে ; যা দোহা গ্রামশিয়ান টার্ম "ওয়ার অফ পজিশনে" ,বারি "খোজাকরণের রাজনীতি " তে বাক্স বন্দী করেছে। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ফ্যাসিবাদী সার্বজনীনবাদ এর পয়লা প্রকাশ ঘটে, শাহবাগে৷ পয়লা প্রকাশের লক্ষণ : "বাঙালি জাতীয়তাবাদ", "৭২ এর সংবিধানে ফেরত", "আইনি বলে ও রাষ্ট্রের ক্ষমতা ব্যবহার করে ইসলামের রাজনৈতিকতা নির্মূল", "লাশতান্ত্রিক ক্ষমতার চর্চা "ইত্যাদি ইত্যাদি। দুসরা, প্রকাশ ঘটে শাহবাগের সংশোধনবাদী ধারা হতে। এই ধারার সেক্যুলাররা লাশতান্ত্রিক ক্ষমতার স্থলে ডিসিপ্লিনারি বা নিয়ন্ত্রণমূলক ক্ষমতা চর্চাতে আগ্রহী। দুসরা ধারার প্রকাশের লক্ষণ হলো : "সাম্য ", " মানবিক মর্যাদা ", "নাগরিক অধিকার " "ইসলামের সাংস্কৃতিক দিক " ইত্যাদি ইত্যাদি। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ফ্যাসিবাদী সার্বজনীনবাদের উভয় প্রকাশের এক বিশেষ মিল৷ তা হলো ইসলামের রাজনৈতিকতা, তার ক্ষমতায়ন, তার রাজনৈতিক কর্তাসত্তা ঠেকানো। অর্থাৎ, বুনিয়াদি বাসনা অভিন্ন, তবে তরিকা ভিন্ন৷ এক পক্ষ নির্মূলের রাজনীতি করে, অপর পক্ষ নাগরিক বর্গের সাপেক্ষে নির্মূলের রাজনীতির পর্যালোচনা করে নিয়ন্ত্রণের রাজনীতি প্রস্তাব করে।
By Mohammad Toha
May 19, 2024
উত্তর - ঔপনিবেশিক ক্যামেরুনীয় তাত্ত্বিক আশিলি এম্বেম্বে "The Society of Enmity " লেখায় দেখান, আইনি কাঠামোয় নাগরিক অধিকার ভোগ করার সমান্তারালে আরেক সমাজ আছে যেখানে নাগরিক হয়েও, জিন্দা লাশ হিসাবে থাকে। এম্বেম্বে দেখান, আগে এই জিন্দালাশের অন্তর্ভুক্ত ছিল নিগ্রো ও ইহুদি৷ বর্তমানে নিগ্রো ও ইহুদির স্থলে অন্য নামে যেমন : মুসলিম, ইসলামপন্থী, আরব, আদিবাসী, অভিবাসী, নিম্নবর্গ ইত্যাদি জিন্দালাশ হিসাবে বেঁচে থাকে। নাগরিক - সাম্যের বুলি এইখানে বিহিত করতে নাকামিয়াব৷ এম্বেম্বে একে 'The Terrifying Object " হিসাবে চিহ্নিত করেন। এম্বেম্বে Desire of Master এর সাথে কল্পিত শত্রুর সাথে যে বাস্তবতার মিল নেই, তা নিশ্চিত করেন৷ এম্বেম্বে দেখান বাসনার পূর্ণতার জন্য কিভাবে কল্পিত শত্রুর ছবি আবিস্কারের নেশায় (Desire must continually invent it) মত্ত। এম্বেম্বে দেখান কিভাবে শত্রুর আকাঙ্ক্ষা, বিচ্ছিন্নতা, নির্মূল ও ধ্বংসের কল্পনা- বৃহৎ বৃত্তের স্থান দখল করে নেয়।
By Tahmid Bhuiyan
May 19, 2024
সুমনের বর্ণনায় গণতন্ত্র পীরিতি দেখে মিশরীয় মার্ক্সবাদী সামির আমিনের কথা স্মরণ হল। ইসলামপন্থী রাজনৈতিক সংগঠন ইখওয়ানুল মুসলিমীনকে যখন সেনা ক্যু করে ক্ষমতা হতে সড়িয়ে, লাশতান্ত্রিক রাজনীতির ফলে রাবা স্কয়ার লাশের পাহাড় হয়ে গেল ; তখন সামির আমিন কবির সুমনের মতোই বলেছিল, মিশরীয় সিপাহি - জনতার বিপ্লব বা এর মাধ্যমে নয়া গণতান্ত্রিক সংযোজন দেখবে আগামীর মিশর। সামির আমিন ইসায়ী ২০১৯ সাল অবধি জীবিত ছিলেন৷ আব্দুল ফাত্তাহ আল সিসির গণতান্ত্রিক মিশর আর দেখে যেতে পারে নাই। সুমন এই দিক বিবেচনায় সামির আমিনের চেয়ে খুশ-নসিব বলা যায়। জীবনের ৭৫ তম বসন্তে পা দিলেন ; সাথে বাংলাদেশের গণ মানুষকে উপহার দিলেন ফ্যাসিবাদী লুটেরা - মাফিয়া রেজিম৷ সুমনের বাঁশির সুরে উজ্জীবিত হয়ে শাহবাগ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পথচলাকে উল্টে দিল, সুমন কি তা বুঝেন?
